1. poroshbangla@gmail.com : admin :
  2. subarnotv@gmail.com : Suborno TV : Suborno TV
December 2, 2020, 5:47 am

মৃত নারীর সাথে যৌন মিলন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, নভেম্বর ২১, ২০২০
  • 94 Time View

ঢাকার একটি হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া নারীদের মরদেহের সাথে ‘যৌন লালসা চরিতার্থ’ করার অভিযোগে বৃহস্পতিবার একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডি।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি ঢাকার একটি হাসপাতালের মর্গের ডোমের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন বলে সিআইডি’র বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
সিআইডি’র ধারণা, অন্তত দেড় বছর ধরে মর্গে আসা নারীদের মরদেহের সাথে যৌন মিলন করে আসছিলেন অভিযুক্ত।
যেভাবে ধরা পড়লো অভিযুক্ত : সিআইডি’র বিবৃতিতে জানানো হয়, বাংলাদেশে ধর্ষণ, হত্যাসহ যেসব ঘটনায় মরদেহ ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়, সেসব আলামতের ডিএনএ পরীক্ষা এবং প্রোফাইল তৈরি করে থাকে সিআইডি।

২০১৯’এর মার্চ থেকে ২০২০’এর আগস্ট পর্যন্ত একটি মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ থেকে পাওয়া মৃত নারীদের দেহে পুরুষ শুক্রানুর উপস্থিতি পায় সিআইডি। কিন্তু একাধিক নারীর মরদেহে একজন পুরুষের শুক্রানুর উপস্থিতি তাদের চমকে দেয়। তারা সেই পুরুষকে চিহ্নিত করার জন্য মাঠে নামে।
বিবৃতিতে সিআইডি বলেছে, মরদেহে পাওয়া শুক্রানুর ওপর ভিত্তি করে সেই পুরুষের ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা হয়।পরে ঢাকার মোহাম্মদপুর ও কাফরুল থানার কয়েকটি ঘটনা থেকে পাওয়া ডিএনএ প্রোফাইলের সাথে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল মিলে যায়।

প্রাথমিকভাবে সিআইডি’র ধারণা ছিল, প্রতিটি ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে অথবা হত্যার পর ধর্ষণ করেছে। তবে পরে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণের পর সিআইডি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে কোনো একজন ব্যক্তি মরদেহের ওপর ‘বিকৃত যৌন লালসা চরিতার্থ’ করছে।
পরে সিআইডি’র গোপন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে প্রত্যেক ভুক্তভোগীর মরদেহের ময়নাতদন্ত একটি নির্দিষ্ট হাসপাতালের মর্গে করা হয়েছে। হাসপাতালটির মর্গের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে অনুসন্ধান করে সিআইডি জানতে পারে যে, ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া মরদেহ ব্যবচ্ছেদ করার উদ্দেশ্যে পরের দিন মর্গে রেখে দেওয়া হতো। মর্গের কার্যপদ্ধতি বিশ্লেষণ করার পর তদন্তকারীদের সন্দেহ হয় যে মর্গের ডোমদের কেউ অপরাধ সংঘটন করে থাকতে পারে।

সন্দেহের ভিত্তিতে ওই নির্দিষ্ট হাসপাতালের ডোমদের গতিবিধি পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা। ওই তদন্তের সময় জানা যায় যে হাসপতালটির একজন ডোম পাঁচটি ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর মরদেহ পাহারা দেওয়ার জন্য রাতে মর্গে ছিল। এরপর বিস্তারিত তদন্তে তথ্য-প্রমাণের সাপেক্ষে সিআইডি নিশ্চিত হয় যে অভিযুক্ত ডোম এই অপরাধের সাথে জড়িত।

অভিযুক্ত যুবক তদন্তের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গা ঢাকা দেয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে সিআইডি তাকে গ্রেপ্তার করে। সিআইডি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছে

সূত্র: বিবিসি

শেয়ার করুন

এই রকম আরো সংবাদ

রেজিশ্ট্রেশন করতে ক্লিক করুন

© All rights reserved © 2020 SUBORNO TV
Develper By Porosh Tech